ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ , ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
নিবন্ধন সনদবিহীন শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র কড়া বার্তা প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসে তোলপাড় শেয়ারবাজার গতিহীন দ্বিগুণ দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মতিউর মহাসচিব খায়রুল নির্বাচিত ঢাকায় নতুন মার্কিন দূত মব সৃষ্টি করে জমি দখলের চেষ্টা সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রক্ষা কক্সবাজার সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত, সড়ক অবরোধ দিনাজপুরে নদী থেকে ২ যুবকের লাশ উদ্ধার স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বাদ দিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে নির্বাচনি জরিপে বিএনপি জামায়াতের হাড্ডাহাডি লড়াইয়ের আভাস রাজস্ব সংগ্রহে এনবিআরের চ্যালেঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে পলককে ডিম নিক্ষেপ ইনকিলাব মঞ্চের ফরিদপুরে শ্রমিকবাহী পিকআপে ট্রেনের ধাক্কায় দুই ভাইসহ নিহত ৩ শ্যামনগরে আমন ধানের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলসহ ৫ দফা দাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতেই হবে-রেজাউল করীম হলফনামায় ‘অপ্রদর্শিত’ সম্পদের মালিকদের শাসক হিসেবে চান না দুদক চেয়ারম্যান কোনো দলকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে না সরকার-প্রেস সচিব ভারতের সঙ্গে ব্যবসায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি-বাণিজ্য উপদেষ্টা

সাড়ম্বরে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের

  • আপলোড সময় : ২৪-১২-২০২৫ ০৫:৫০:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-১২-২০২৫ ০৫:৫০:৫৪ অপরাহ্ন
সাড়ম্বরে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন কাল বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গির্জায় চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা। ?খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর এ উৎসব উদযাপিত হবে। তবে আয়োজকরা বলছেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সাড়ম্বরে উৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। বড়দিনে গির্জা এবং খ্রিষ্টানদের বাড়ি বাড়ি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা চলবে যথারীতি। জানা গেছে, বড়দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গির্জার ভেতরে বর্ণাঢ্য সাজসজ্জায় প্রতীকী গোশালা বসানো হচ্ছে। বেথলেহেমের গরিব কাঠুরের গোয়ালঘরে যিশুখ্রিষ্টের জন্মের কথা স্মরণ করে ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি করতেই এই গোশালা বসান খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। ঐতিহ্যবাহী ও জাঁকজমকপূর্ণ এ সাজসজ্জায় রঙিন কাগজ, ফুল ও আলোর বিন্দু দিয়ে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দনভাবে। বিশেষ প্রার্থনা এবং খাবারের আয়োজনের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। বেশিরভাগ গির্জা ও গির্জার বাইরে আলোকসজ্জা, আনন্দ-উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বড়দিনের মেলার আয়োজন থাকবে। রাজধানীর অভিজাত হোটেলগুলোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও এবার হোটেলগুলোর বড়দিনের আয়োজনে জাঁকজমক থাকবে। সোনারগাঁও হোটেল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, র‌্যাডিসন, লা মেরিডিয়েন, ওয়েস্টিন, হোটেল ওয়েসিস, ঢাকা রিজেন্সিসহ দেশের বড় বড় হোটেলে এসব বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। হোটেলগুলো সাজানো হবে রঙিন বাতি আর ফুল দিয়ে। সাজানো হবে ক্রিসমাস ট্রি। সীমিত পরিসরে থাকবে সান্তা ক্লজের চমকপ্রদ উপস্থাপনা ও শিশু-কিশোরদের জন্য নানা উপহার। কোথাও কোথাও বড়দিনের কেক কাটা হবে। তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জা হোলি রোজারিও চার্চের (পবিত্র জপমালা রানীর গির্জা), কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল এবং মণিপুরিপাড়া, বারিধারাসহ কয়েকটি গির্জা ঘুরে বড়দিন ঘিরে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতির কথা জানা গেছে। তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জা হোলি রোজারিও চার্চের (পবিত্র জপমালা রানীর গির্জা) প্রধান যাজক ফাদার কামাল আন্দ্রেয়াস কররায়া বলেন, মানুষ নির্ভয়ে বড়দিনের উৎসব উদযাপন করবেন। বড়দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির বাইরে সামাজিক-সাংস্কৃতিক আয়োজনগুলোও থাকবে। বর্ণিল সাজে সেজেছে চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টানপল্লি: ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এই উৎসবকে সামনে রেখে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টানপল্লি ইতিমধ্যে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। নানান রঙের আলো, সাজসজ্জা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো পল্লি যেন নতুন রূপ ধারণ করেছে। পল্লির প্রতিটি ঘরকে নবরূপে সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে গির্জা প্রাঙ্গণ ও আশপাশ এলাকায় আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বড়দিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ১৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে প্রাক্?-বড়দিন উৎসব, যা এখনো চলমান রয়েছে। এ উপলক্ষে নগর কীর্তন, উপহার বিনিময়, ক্রিসমাস ট্রি সাজানোসহ নানা আয়োজন চলছে। পাশাপাশি বড়দিনকে ঘিরে পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা। অতিথিদের বরণে প্রতিটি ঘর সাজানো হচ্ছে নান্দনিকভাবে। চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টান হাসপাতাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতাল চত্বরসহ আশপাশ এলাকা নানা রকম আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। এ সময় চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টান হাসপাতালের পরিচালক প্রবীর খিয়াং বলেন, বড়দিন আমাদের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের মিলনমেলা ঘটে। এতে সামাজিক সম্প্রীতি ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। তবে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সভাপতি এবং সাবেক কৃতী ফুটবলার বিপ্লব মারমা বলেন, বড়দিনকে ঘিরে খ্রিষ্টানপল্লিগুলো এখন নতুন রূপে সেজেছে। প্রতিটি ঘরে অতিথি আসবেন। আমরা সবাই তাঁদের বরণে প্রস্তুত। চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পালকপ্রধান রেভারেন্ড রোনাল্ড দিলীপ সরকার বলেন, বড়দিন উপলক্ষে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা, খ্রিষ্ট সংগীত পরিবেশনা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও কেক কাটার আয়োজন রাখা হয়েছে। চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সাধারণ সম্পাদক বিজয় মারমা বলেন, বড়দিন উদ্?যাপনে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ বছর চার্চে ব্যাপক পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। মেহেরপুরের খ্রিস্টান পল্লীগুলোতে সাজ সাজ রব: বড়দিন উপলক্ষে সাজ সাজ রব মেহেরপুরের খ্রিস্টান পল্লীগুলোতে। সাজানো হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রি। গির্জাগুলো সাজানো হচ্ছে নানা রঙে। বড়দিনকে কেন্দ্র করে সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে তৈরি প্রেম, ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধ। দেশ থেকে দূর হবে সব প্রকার হানাহানি যীশুর কাছে এই প্রার্থণা করবেন খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীরা। দিনটিকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা বাহীনির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সব চাইতে বড় ধর্মী উৎসব। এ দিনটিকে যিশুর জন্মদিন হিসেবে পালন করেন তারা। তাদের মতে, ২৪ ডিসেম্বর রাতে বেথেলহেমের এক গোশালায় কুমারী মা মেরীর কোলে জন্ম হয় যিশুর। বলা হয় বিশ্ব থেকে হিংসা ভেদাভেদ মুছে ফেলতেই জন্ম হয় তাঁর। দিনটি পালন উপলক্ষে খ্রিস্টান পল্লীগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ। পাড়ায় পাড়ায় তৈরি করা হচ্ছে গোশালা। বাড়িতে বাড়িতে তোলা হয়েছে শান্তির প্রতীক স্টার। রঙ বেরঙের কাগজ দিয়ে সাজানো হচ্ছে গির্জাগুলো। চলছে আলোকসজ্জার কাজ। ২৪ তারিখে রাতে খ্রিস্টজাগ অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। দেশ ও বিশ্বের মানুষের মুক্তির জন্য ইশ্বরের কাছে প্রার্থণা করবেন তারা। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা জানান, ডিসেম্বরের শুরুতেই বাড়িতে বাড়িতে স্টার তোলা হয়েছে। ইতিমোধ্যে পারিবারিকভাবে সকল আযোজন সম্পন্ন করেছেন তারা। বছরের শেষ দিন পর্যন্ত উৎসব পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন যীশু খ্রিস্টের ভক্তরা। মেহেরপুর মুজিবনগর বল্লভপুর ইম্মান্যুয়েল চার্চের কমিটির সদস্য বাবুল মল্লিক জানান, বড়দিনে নিজ পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের জন্য প্রার্থণায় মশগুল থাকবেন খ্রিস্টান ধর্মবলম্বীরা। দিনটি উপলক্ষে প্রতিটি গির্জার পাশে বসবে মেলা। সকল ধর্মের মানুষকে একসাথে নিয়ে দিনটি পালন করতে চান তারা। ভবেরপাড়া ক্যাথলিক চার্চের ফাদার তাপস হালদার জানান, ২৪ ডিসেম্বর রাতেই শুরু হবে প্রার্থনা আবার ২৫ ডিসেম্বরে প্রত্যুষে শুরু হবে দেশ ও জাতির উদ্দেশ্যে প্রভুর কাছে শান্তি কামনা করবে খ্রিস্টান ধর্মানুসারিরা। এ সময় পবিত্র বাইবেল পাঠ, মোমবাতি প্রজ্বলন। এদিকে বড়দিন উপলক্ষে কঠোর নিরপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ জামিনুর রহমান খান । মেহেরপুরে মোট ২৯ টি গির্জায় বড় দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। পাবনায় উৎসবের আমেজ; ব্যস্ত খ্রিস্টান সম্প্রদায়: খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন ঘিরে পাবনায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। উপাসনালয়, বসতবাড়িতে আলোকসজ্জা, গোশালা তৈরি, ক্রিসমাস ট্রি সাজানোসহ নানা প্রস্তুতিতে ব্যস্ত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে। শীতের সকালে নীল আকাশে অস্পষ্টতা কাটিয়ে লাল সূর্যের দেখা। যে আভায় যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন আলোকিত হবে এমন প্রত্যাশা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের। দুয়ারে করা নাড়ছে যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন। সেই দিনকে উদযাপন করতে পাবনার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বাড়িগুলো এখন উৎসবমুখর। গির্জা সেজে উঠেছে রং-বেরংয়ের সাজে। বাড়িঘর আলোকসজ্জা, গোশালা তৈরি, ক্রিস্টমাস ট্রি সাজানোসহ নানা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা। স্থানীয় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা জানান, ২৫ ডিসেম্বর বড় দিন। তারা সবাই একসঙ্গে দিনটি উৎযাপন করবে। উৎসবমুখর পরিবেশে তারা দিনটি উৎযাপন করবে। স্বজনদের সঙ্গে বড়দিনের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এরইমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এসেছে অনেকেই। যিশুর আগমন বার্তা সবাইকে জানান দিতে চলছে নগর-কীর্তন। অতিথিদের আপ্যায়নে ব্যস্ত সময় পার করছে বাড়ির গৃহিণীরা। শিশুদের মধ্যেও কমতি নেই এ উৎসবকে ঘিরে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা জানান, তারা নতুন ধানের পিঠা বানাবেন উৎসব ঘিরে। শহর থেকে আত্মীয়-সজনেরা আসবেন। একসঙ্গে বড়দিনের আয়োজন করবেন তারা। যিশু খ্রিষ্টের দেখানো আলো ও কল্যাণের পথে মানুষ সুখে শান্তিতে বড়দিন উৎযাপন করবে এবং জগতে শান্তি-ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে এমনটাই প্রত্যাশা ধর্ম যাজকদের। পাবনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ পালক ইসহাক সরকার বলেন, এ বছর আমরা প্রার্থনা করি বাংলাদেশের যে অস্থিরতা তা যেন দূর হয়। প্রতিটি মানুষ যেন সুখে শান্তিতে ও যিশু খ্রিষ্ট্রের দেয়া আনন্দে বসবাস করতে পারে। বড়দিন ঘিরে জেলা পুলিশের পক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এ কর্মকর্তা। পাবনা পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই। আমরা যেভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছি, নজরদারি তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছি। আশা করি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা নিরাপত্তার মধ্যে উৎসবটি পালন করতে পারবে। পাবনা জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, পাবনার ২৪টি গির্জায় শুভ বড়দিনের উপাসনা অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স